মিলনের সময় নারীদের করণীয় । লজ্জা নয় জানুন

মিলনের সময় নারীদের করণীয়

মিলনের সময় নারীদের করণীয়

আসসালামু আলাইকুম আজকে আলোচনা করব  মিলনের সময় নারীদের করণীয় সম্পর্কে।

স্বামী স্ত্রীর মেলামেশার সময়, স্ত্রী সহবাসের সময়, মিলনের সময় নারীর করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। মিলনের সময়  নারীদেরকে কোন কোন বিষয়গুলো গুরুত্ব বেশি দেওয়া দরকার।আমাদের এই পোস্টের মাধ্যমে মিলনের সময় নারীদের করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আলোচনা করব। 

সহবাসের সময় আরো আকর্ষণীয়, আনন্দময়, দীর্ঘতম করার কিছু ঔষধ দেওয়া থাকবে সেই বিষয়ে জেনতে পাবেন।

 মিলনের সময় নারীর করণীয় কি জেনে নিনঃ

স্বামী স্ত্রীর মেলামেশার সময় নারীর করণীয় হচ্ছে যে বিষয়গুলো তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে স্বামী যদি মিলনের আগ্রহ প্রকাশ করে স্ত্রীকে মিলনের সাড়া দেওয়া উচিত। এর কারণ হচ্ছে পুরুষদের  মিলন চাহিদা অনেক পরিমাণে বেশি। মহিলাদের ক্ষেত্রে অনেক কম। 

নারীরা মিলন না করে থাকতে পারে কিন্তু পুরুষদের পক্ষ থেকে এটা কোনভাবেই সম্ভব না। এজন্য আপনার উচিত সাধ্যমতো তাকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য। এবং স্বামী যখন মিলন করতে চাবে স্বামীর কথা সাড়া দেওয়ার দরকার।

স্ত্রী যদি তার  শারীরিক মিলনের জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করেন। শারীরিক  মিলন মিলন ইচ্ছা যদি স্বামীর না থাকে তাহলে আপনি আপনার স্বামীকে আকুতি-মিনতি করতে পারেন। প্রথমে আপনি আপনাকে পরিপাটি করে নিন এবং একটু সাজুগুজু করার চেষ্টা করুন নানান ধরনের পোশাকে সাজিয়ে নিতে পারেন পোশাকগুলো পুরুষের মধ্যে কামভাব তৈরি করে। স্বামীকে মিলনের ইচ্ছা জাগানোর জন্য আপনি বিভিন্ন ধরনের পোশাক পড়তে থাকুন। পরতে পারবেন যেমন নাইট ড্রেস ব্যবহার করতে পারেন।

মিলনের সময় মহিলাদের করনীয় কিঃ

কিছু কিছু  নারীরা রয়েছে যারা মিলনের  জন্য  খুব  আগ্রহ অনুভব কিন্তু কিছু করার থাকেনা কারণ কিছু কিছু পুরুষ রয়েছেন যাদের এই ইচ্ছাটুকু কখনো তারা অনুভব করতে পারে না কারণ এমন কিছু পুরুষ রয়েছেন যারা স্ত্রীর সঙ্গে তেমন ভালো ব্যবহার করেন না তার ফলে মিলনের সময় দিকটা তারা কখনও বেছে নিতে পারেন। স্ত্রীদের ইচ্ছা থাকার শর্তেও সামিরা মেলামেশা করতে ইচ্ছুক নয়। সে ক্ষেত্রে স্ত্রীরা যে কাজগুলো করবেন সেই বিষয়গুলো জেনে নিন।

স্বামীর মধ্যে এক প্রকার আগ্রহ সৃষ্টি করার জন্য। আপনি কিছু কাজ করতে পারেন সেগুলো জেনে নিন।ঋতুভেদে গমনের সময় যৌন উত্তেজক পোশাক ব্যবহার করতে পারেন। পোশাক পরার ক্ষেত্রে সবচেয়ে  বেশি হয় আপনি যদি বিকিনি ব্যবহার করতে পারেন।  বিকিনি এটা ব্যবহার করার পরে আপনার স্বামী আপনার প্রতি আগ্রহ অনেকটাই কমে যায়।

নাইট ড্রেস ব্যবহার করতে পারেন নাইট্রেট ব্যবহার করলে আপনি যদি না একদিন ব্যবহার করে স্বামীর সাথে একত্রে স্বয়ং করেন তাহলে আপনার স্বামীর মধ্যে নিষ্পত্তি একটি কামোদ্দীপক তৈরি হবে এবং আপনাকে সহবাসের জন্য স্বামী আপনাকে আমন্ত্রণ জানাবে।

 মিলনের সময় স্বামীর করণীয় কিঃ

আপনি যদি চান দৈনিক সহবাস করতে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে একটি কাজ করতে হবে সেটা হচ্ছে আপনার স্ত্রীকে সঠিকভাবে যৌন আনন্দ  দিতে হবে। 

আমাদের দেশে বেশির ভাগ পুরুষ নিজের বীর্যপাত ঘটে ফেলতে চান। কিন্তু নিজের দিক দিক থেকে চাইলে হবেনা আপনার স্ত্রীর দিক থেকে একটু ভাবতে হবে। স্ত্রীর অর্গাজমআমার স্ত্রীকে নানানভাবে তৃপ্তি করার চেষ্টা করতে হবে। জন্য স্বামীদেরকে অবশ্যই উচিত হবে স্ত্রীর অর্গাজমকরানো।

যৌনাঙ্গ দেখিয়ে দুর্বলতা থাকে সে ক্ষেত্রে অল্পতে বীর্যপাত হওয়ার সম্ভাবনা হয়ে যায়। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে যদি বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। এইসব গুলো নিয়ে অনেকেই ভুগে থাকেন সেগুলো থেকে আপনি কিভাবে মুক্তি পাবেন জেনে নিন। বিভিন্ন প্রকার  মেডিসিন  ব্যবহার করে আপনি আপনার যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারেন।

আরো পড়ুন মাথাব্যথার কারণ সম্পর্কে

যৌনঙ্গ দুর্বল থাকলে আপনি ভিটামিন এ ক্যাপসুল খেতে পারেন এর সঙ্গে আরও বিভিন্ন ধরনের ঔষধ সেবন করে আপনি আপনার যৌনাঙ্গ শক্তি বৃদ্ধি করতে পারেন এটা ভাবার কোন কারণ নেই এবং টেনশন করার কোন কারন নেই।

মিলনের সময় নারীদের করণীয় কিঃ

প্রত্যেক নারীদের মিলনের সময় স্বামীকে বিভিন্নভাবে আকর্ষণীয় করতে হবে ।  সব সময় চেষ্টা করতে হবে আকুতি মিনতি করে যেভাবেই হোক স্বামীর মিলনের সময়ে সঠিক ভাবে উপভোগ করতে পারেন।

 একটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া খুবই দরকার আপনাকে মনে রাখতে হবে একজন মহিলা ইচ্ছে করলে দীর্ঘক্ষণ মিলন করতে পারেন। 

তাই ধৈর্য্য না হারিয়ে আপনি অনেকক্ষণ যাবৎ সহবাস করুন। মহিলাদের পক্ষে দীর্ঘক্ষণ সহবাস করা সম্ভব কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে বীর্যপাত হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে তারা আবার করতে পারেন না।

মহিলাদের উচিত পুরুষদেরকে সহবাস করার সাহায্য করা। প্রত্যেক মহিলাদের উচিত তারা যেন স্বামীদেরকে মিলনের সময় অনেক তৃপ্তি আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেন।

সহবাসের সময় নারীর করণীয় কি   জেনে নিনঃ

শারীরিক মেলামেশার সময় স্বামী-স্ত্রী দুজনেই অনেক ধরনের গল্প করতে পারেন। যার ফলে যৌন মিলনের সময় বৃদ্ধি পাবে এবার স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এক প্রকার আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এজন্য সহবাস করার সময় অবশ্যই আপনাকে অনেক রকমের আনন্দময় গল্প করার দরকার। দুজনের মধ্যে নানা ধরনের গল্প খুবই দরকার।

দৈনিক মিলনের সময় নারীর করণীয় কি জেনে নিনঃ

আরো নানা কার্যক্রম করতে পারেন দৈনিক মেলামেশার সময়। আপনি চাইলে মিলনের সময় কনডম ব্যবহার করতে পারেন। কনডম ব্যবহার করার জন্য দীর্ঘ সময় আবার করতে পারবেন। এর কারণে আপনাকে অবশ্যই অতিরিক্ত ঔষধ খেতে হবে না।

স্বামী মিলনের সময় নারীর করণীয় কি জেনে নিনঃ

 একজন নারীর উচিত শারীরিক মিলনের সময় পুরুষ কে সর্বোচ্চ ভাবে সাহায্য করা। নারী যদি সহবাসের সময় পুরুষের সর্বোচ্চ সাহায্য করে থাকেন তাহলে তারা অনেক বেশি তৃপ্তি পেতে থাকেন। এজন্য নারীদেরকে আগে আগ্রহ জাগাতে হবে। প্রত্যেক নারীর উচিত তাদের সঙ্গীর জন্য সঠিক ভাবে সাহায্য করে থাকে সহবাস করার জন্য।

 মিলনের সময় নারীর করণীয় কি জেনে নিনঃ

সহবাস করার জন্য একজন নারী তার স্বামীর জন্য কি করনীয় সে সম্পর্কে যা করা লাগবে সব করার দরকার। দুইজন দুজনে মিলামিশা প্রচুর পরিমাণ গল্প করতে হবে এবং যত পারেন ভালোবাসার গল্প করুন। 

নতুন এক গবেষণায় জানানো হয়েছে যে, নারীরা যৌন কর্মের সময় যদি তাদের দৈনিক অনুভূতিগুলো তে আরো বেশি গুরুত্ব দেয় আরো বেশি সেক্সি হওয়ার চেষ্টা করে চিন্তাভাবনা করেন তবে চরম যৌনসুখ উপভোগ করতে পারবেন। অবশ্যই শারীরিক মিলন করার সময় আপনাকে অবশ্যই ভালোবাসার গল্প এবং কিভাবে তৃপ্তি মেটাবে সেই গল্পগুলো আপনি করুন। 

গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে যেসব নারীরা প্রতিবার যৌনতার চরম সুখের সন্ধান পায় তাদের চিন্তাই স্মৃতি বিষয়গুলো বেশি বেশি কাজ করে থাকে। কিছু কিছু নারী রয়েছেন যাদের মাথায় এ বিষয়ে কোনো চিন্তাভাবনা আসেনি তাদের ক্ষেত্রে একটু বিষয়টা অন্যরকম।গবেষণা 251 জন ফরাসি নারীর ওপর পরিচালিত হয়ে তাদের বয়স 18 থেকে 67 বছর ছিলেন।

সর্বপ্রথম 176 জন নারীকে বেছে নেওয়া হয় যারা প্রতিবার সেক্সের ক্ষেত্রে চরম সুখ  পেয়েছেন। 75 শতংশ নারীরা অন্য দলে যারা নিয়মিত সুপর্ণা। অংশগ্রহণকারী সবাই নিয়মিত সেক্স করতেন। চিন্তা আছে বিষয়ে তাদের নানা করা।

অনেক সময় দেখা যায় সহবাসের সময় পরিতিপ্তি হয় না। অতএব যারা এ চিন্তা থেকে বিরত থাকেন তাদের তৃপ্তি টা অনেক ভালো হয় 

সম্ভোগের আগে স্বামীর কর্তৃব্যঃ

  • এক কথায় মনে রাখতে হবে যে কোন প্রকার বল প্রবল করা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয়।
  •  চুম্বন, আলিঙ্গন, নিপীড়ন ইত্যাদি নানাভাবে স্ত্রীর মনে পূর্ণ কামাব জাগিয়ে তারপর তার সঙ্গে সহবাসে রত হওয়া প্রতিটি পুরুষের কর্তব্য।
  • ধীরে ধীরে মারিও আত্মসমপর্ণ না করা পর্যন্ত তার সঙ্গে কখনো সহবাসে তৃপ্তি হওয়া উচিত নয়।
  • নারীরা কখনো নিজের যৌন উত্তেজনাকে মুখে প্রকাশ করবে না। আপনাকে লক্ষ্য গুলো দেখে বুঝে নিতে হবে।
  • প্রত্যেক নারীদের কর্তব্য সর্বদা প্রতিশ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ফুটিয়ে তোলার জন্য।।
  • নারীদের কর্তব্য হচ্ছে স্বামীর জন্য চুম্বন ও দংশন আলিঙ্গনের প্রতিউত্তর দেওয়া।
  • নারীর উত্তেজনা ধীরে ধীরে আসে-আবার তা ধীরে ধীরে তৃপ্ত হয়। পুরুষের উত্তেজনা আসে অকস্মাৎ আবার তা অকস্মাৎ শেষ হয়। তাই নারীর পূর্ণ কামভাব না জাগিয়ে সঙ্গমে মিলিত হলে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পেতে পারে না। এরকম করা রিধিবিরুদ্ধৃ। এতে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পায় না- এর জন্যে সে পর-পুরুষ পর্যন্ত গমন করতে পারে। দাম্পত্য জীবনে অনেক বিপর্যয় এর জন্যে আসতে পারে।
  • নারীর পূর্ণ কামভাব জাগলে পতিকে কৌশলে তা বুঝিয়ে দেওয়া দরকার।
  •  পতিকে ঘৃণা করা, তাকে নানা কু-কথা ইত্যাদি বলা কখনই উচিত নয়। সহবাসের অনিচ্ছা থাকলে তা তাকে বুঝিয়ে বলা উচিত। ঘৃণা বা বিরক্তিসূচক তিরস্কার করা কখনও উচিত নয়। এতে পতির মনে দুঃখ ও বিরক্তি জাগতে পারে।
  • পতির কর্তব্য হলো, পত্নীকে প্রিয়তমা জ্ঞানে বা সত্যিকারের ধর্মপত্নী জ্ঞানে নিজের তৃপ্তির সঙ্গে সঙ্গে তারও দৈহিক ও মানসিক তৃপ্তি বিধান করা। নিজের কামনা পরিতৃপ্ত করাই সম্ভোগের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়।

স্ত্রীকে দ্রুত তৃপ্তির উপায় জেনে নিনঃ

  • নারীরা একটু ঘুমাবারপর রাত্রির দ্বিতীয় প্রহর শ্রেষ্ঠ মৈথুন সময়।
  •  দিনের বেলা মেলামেশা করা উচিত না।
  •  ভোরবেলা মেলামেশা করলে শরীরের অনেক ক্ষতি হতে পারে।
  • রাগী অবস্থায় কখনো সহবাস করা উচিত না।
  • গালে, ঠোঁটে ঘন ঘন চুম্বন করা।
  •  স্ত্রীর ঊরুদেশ জোরে জোরে মৈথুনের আগে ঘর্ষণ করা।
  •  সম্ভোগের আগে যোনিদেশ, ভগাঙ্কুর কামাদ্রি আলতো ভাবে ঘর্ষণ করা। 
  • ভগাঙ্কুর মর্দন। 
  • মৈথুনকালে স্তন মর্দ্দন।

 কোন  ঋতু মৈথুনের পক্ষে কতটা উপযোগী তা জেনে নিনঃ

  •  বসন্তকাল 90 %
  •  90% শরৎকাল 70 %
  •  বর্ষাকাল 50%
  •  হেমন্তকাল 40%
  • গ্রীষ্মকাল 30%
  •  শীতকাল 20 %

শারীরিক মিলনের পরে করনীয় কিঃ

প্রবেশ করার পর নারী ও পুরুষ একটি কাজ করা খুবই জরুরী সেটা হচ্ছে পরিমাণমতো গরম দুধ খাওয়া। সহবাসের শক্তি যোগাতে সাহায্য করবে।

  • বাদাম দুই তোলা ভালভাবে বেটে নিয়ে তা মিশ্রি সংযোগে মৈথুনের পর গরম করে খেলে বিশেষ উপকার হয়।
  •  ঘি, দু মিশ্রি কিংবা গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে সেবন করলে সহজে ক্ষয় পূরণ হয়।
  • মুগের ডাল ভালভাবে বেটে নিয়ে ভেজে নিন, পরে মিশ্রি কিংবা চিনি মিশিয়ে নাড়ার মত করে চার তোলার মত মৈথুনের পর খেয়ে নিলে উপকার হয়।
  •  সহবাসের সঙ্গে সঙ্গে পুরুষাঙ্গ ধৌত করলে নপুংষকতার লক্ষণ প্রকাশ পায়। সেজন্য রতিক্রিয়ার কিছু সময় পরে পুরুষাঙ্গ ধৌত করা বিধেয়। এ বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রত্যেকের উচিত। 

সহবাসের পর দেহের বিষয়ে কি কি যত্ন নিতে হবে এ বিষয়ে শাস্ত্রে কতগুলি নিয়ম বিধিবন্ধ আছে। 

  •  ১। সহবাসের পর দু’জনের কিছুক্ষণ পরস্পর সংলগ্ন হ’য়ে অবস্থান করবে। এতে মানসিক তৃপ্তি হয়। ধীরে ধীরে দেহ শীতল হয়। এতে প্রেম দীর্ঘস্থায়ী হ’য়ে থাকে।
  •  ২। তারপর অবশ্য প্রত্যেকেই নিজ নিজ যৌনাঙ্গ ভালভাবে ধৌত করবে-এটি অবশ্য পালনীয়। তবে কিছুক্ষণ পর।
  •  ৩। অনেক শাস্ত্রে দুজনের ্লান করা বিধান আছে তবে তা সকলে পালন করে না।


শাহীন

আমি শাহীন । পেশায় একজন ব্যবসায়ী । পাশাপাশি অনলাইনে কাজ করতে পছন্দ করি। আশা করছি আমার শেয়ারকৃত তথ্য থেকে আপনারা উপকৃত হচ্ছেন আর তা হলেই আমার পরিশ্রম স্বার্থক।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post

Ads

Ads